Partners

partnera

2011 Gala Night

  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • Bookmark and Share
New content coming soon..

problem viewing bengali

জীবনের জয়গান - ২০১১

জীবনের জয়গান-২০১১। এ বছর আমরা প্রত্যাশা করব অংশগ্রহণকারীরা এ সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ- পরিবেশ রক্ষার দিকে দৃষ্টি দেবেন। প্রতিযোগিতার এ বছরের বিষয় :
''Celebrating the gift of nature and the rivers of Bangladesh", “বাংলাদেশের নদী ও প্রকৃতির জয়গান”
বাংলাদেশের কিছু নিয়ে যদি উচ্ছ্বসিত হতে হয় বা ভালোবাসতে হয় তবে তা নিশ্চিতভাবেই এর দৃশ্যগত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। দেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রানেত্ম আছে বালুকাময় সমুদ্র সৈকত; ঠিক তেমনি এর বিপরীত প্রানেত্ম আছে সুন্দর ঝর্ণা, বন ও চা-বাগান। দক্ষিণ-পশ্চিমে আছে শতাধিক প্রজাতির পাখি, প্রাণী, সামুদ্রিক জীবের বিচরণ ক্ষেত্র সুন্দরবন; যা মানুষের জানা নান্দনিক আনন্দের এক অসাধারণ উৎস। হাজার হাজার অতিথি পাখির নিরাপদ আশ্রয় বাংলাদেশের অনেক জলাভূমি। আমরা চাই আপনার চলচ্চিত্র, স্থিরচিত্র/আলোকচিত্র ও গীতিকাব্য/গান এবার উক্ত বিষয়ের উপর নির্মিত হোক।
প্রতিযোগিরা উলেস্নখিত বিষয় ঠিক রেখে যে কোনো বিভাগ বেছে নেয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা পাবে। তারপরও আমরা জোর উৎসাহ দেব আপনি আপনার ভাবনাকে সমপ্রসারিত করে বাংলাদেশের প্রত্যনত্ম অঞ্চলে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য সকলের সামনে মেলে ধরবেন।
‘জীবনের জয়গান’ প্রতিযোগিতা সম্পর্কে যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি- এটি একটি প্রতিযোগিতা যা চলচ্চিত্র, স্থিরচিত্র/আলোকচিত্র ও গীতিকাব্য/গান লেখা নিয়ে আয়োজিত হয়ে আসছে। দি ডেইলি স্টার ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক যৌথভাবে এটি আয়োজন করে। এই উদ্যোগটি সৃষ্টিশীল প্রকাশের জন্য প্রতিযোগিদের একটি প্লাটফর্ম দেয়ার প্রয়াস, যা এই পরিসরে স্থানীয় গণমাধ্যমে আগে আর হতে দেখা যায় নি।
গত তিন বছরের এই প্রতিযোগিতা প্রতিযোগীদের সংখ্যা ও বিভিন্ন দিক থেকেই বৃহৎ আকার ধারণ করেছে। ‘জীবনের জয়গান-২০১১’-এর স্পন্দন আরও হাজার হাজার মানুষকে স্পর্শ করবে, কারণ প্রতিষ্ঠান দু’টি এবার আগের এবং এ বছরের বিজয়ী কাজ নিয়ে বছরব্যাপী বড় পরিসরে প্রর্দশনীর আয়োজন করার পরিকল্পনা করেছে। কাজের গুণগত মান বৃদ্ধিকে উৎসাহ দেয়ার জন্য এবার পুরস্কারের টাকাও উলেস্নখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ‘জীবনের জয়গান-২০১১’-তে এবার ৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার সমপরিমান মূল্যের পুরস্কার ১০জন বিজয়ীর মধ্যে বিতরণ করবে। ১২জনের বেশি ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেটসহ ‘অনারেবল মেনশন’ পুরস্কার পাবেন। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ পুরষ্কার বিতরণী গালা সিরিমনিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
২০১১ সালে বাংলাদেশের ১২টি জেলায় সপ্তাহব্যাপী উৎসব আয়োজন করা হবে, যেখানে পূর্বের বছরগুলির এবং এ বছরের প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের কাজ প্রদর্শিত হবে। আমরা ‘জীবনের জয়গান’-এর মূল ভাবনা ও স্পন্দন বাংলাদেশের প্রতিটি প্রানেত্ম নিয়ে যাবো এবং সমগ্র জাতি যেন এই উৎসবের অংশ হতে পারে তা নিশ্চিত করব।

আজীবন সম্মাননা পুরষ্কার

প্রতিবারের মতো এবারও চলচ্চিত্র বা টেলিভিশন প্রযোজনা, স্থিরচিত্র ও গীতিকাব্যের জন্য আজীবন সম্মাননা পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে। আজীবন সম্মাননা পুরষ্কারের জন্য তাদেরই নির্ধারণ করা হবে যারা তাদের স্বকীয় স্থান ধরে রেখেছে তাদের মহৎ কর্মের মাধ্যমে। আপনি যদি নিজে সেইরকম একজন হন, তাহলে আপনার জীবনবৃত্তানত্ম ও কর্মের সার সংক্ষেপ আমাদের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে প্রতিষ্ঠিত একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা বা টেলিভিশন ব্যাক্তিত্ব, স্থিরচিত্র/ আলোকচিত্র শিল্পী বা গীতিকবি/ সুরস্রষ্টা হতে হবে। বিস্তারিত জানতে দেখুন : www.celebratinglifebd.com

চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা

শ্রেষ্ঠত্বের দিক থেকে এবার চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রযোজনার ৩টি বিষয়কে গুরম্নত্ব দিচ্ছে; যা হলো সেরা চলচ্চিত্র, নবাগত চলচ্চিত্র ও সমালোচক পুরস্কার।
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র : আয়োজনের এ পর্বে পুরস্কৃত হবেন শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যার সময়সীমা ২০ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে থাকতে হবে।
শ্রেষ্ঠ নবাগত চলচ্চিত্র : এ বিভাগে কেবল মাত্র তরুণ বা নবাগত পরিচালকেরা প্রামাণ্যচিত্র বা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রথম চলচ্চিত্র’র ক্ষেত্রে এর অভিব্যক্তি হবে নতুনত্ব ও স্বকীয় এবং এর সময়সীমা ৩ থেকে ১২ মিনিট। বিচারকমন্ডলীর কাছে তা অবশ্যই ডি.ভি.ডি. আকারে জমা দিতে হবে। বিজয়ী চলচ্চিত্রকারকে অবশ্যই তার মূল (ডি.ভি.ডি. ক্যামের মাস্টার কপি) প্রদান করতে হবে।
শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রের জন্য ২,০০,০০০ টাকা পুরষ্কার হিসেবে ধার্য করা হয়েছে এবং বিজয়ী নির্মাতাকে পরবর্তী টিভি-চিত্রটি করবার জন্য আরো ৩,০০,০০০ টাকা দেয়া হবে। নবাগত দুটি চলচ্চিত্রের জন্য পুরস্কারের পরিমাণ ৫০,০০০ টাকা। এ ছাড়াও বিজয়ীরা পাবেন সনদপত্র ও ক্রেস্ট।

স্থিরচিত্র/আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা

এ প্রতিযোগিতায় ১জন আলোকচিত্র শিল্পী সর্বোচ্চ ৩টি ছবি জমা দিতে পারবে। বিচারকমন্ডলী তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে ৩জন বিজয়ীকে সনদপত্র, ক্রেস্ট ও অর্থ প্রদান করবে। বিজয়ী আলোকচিত্র শিল্পী পাবেন ১,০০,০০০ টাকা, ২য় স্থান ৫০,০০০ টাকা ও ৩য় স্থান পাবেন ২৫,০০০ টাকা। এছাড়া ৯জন আলোকচিত্র শিল্পীকে ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেয়া হবে।
ন্যূনতম ২০০০ পিক্সেল রেজ্যুলেশন কেবলমাত্র ডিজিটাল ফর্মেটের ছবি সি.ডি. বা ডি.ভি.ডি. আকারে জমা দিতে হবে। প্রাথমিক নির্বাচন শেষে পুনরায় আবার তা প্রিন্ট কপি আকারে জমা দিতে হবে। এবং ছবি জমা দেয়ার পরে তা যদি বিষয় সংশ্লিষ্ট না হয় তবে বিচারকদের কাছে অগ্রাধিকার পাবে না এবং উক্ত ছবি ফেরত দেয়া হবে না।

গীতিকাব্য প্রতিযোগীতা

একজন অংশগ্রহণকারী সর্বোচ্চ ৩টি গীতিকাব্য/গান জমা দিতে পারবেন। বাংলা ও ইংরেজীতেও গান জমা দিতে পারেন। বিচারকমন্ডলী ৩জন বিজয়ী নির্ধারণ করবে। তাদের মাঝে সনদপত্র, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ প্রদান করবেন। ১ম পুরস্কার ৫০,০০০ টাকা, ২য় স্থান পাবে ২৫,০০০ ও ৩য় স্থান পাবেন ১৫,০০০ টাকা। বাকি ৭জনকে ‘অনারেবল মেনশন এ্যাওয়ার্ড’সহ ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেয়া হবে।
গীতিকাব্য/গানের কথা জমা দেয়ার সময় তা কাগজে কম্পোজ করে পাঠাতে হবে। নির্বাচিত গীতিকাব্য নিয়ে সুপরিচিত সঙ্গীতকার এবং শিল্পীরা গান তৈরী করবেন এবং পরে তা সি.ডি. আকারে প্রকাশ করা হবে।
পরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা শহরে কনসার্ট আয়োজন করা হবে।

টেলিভিশন: সমালোচক পুরস্কার

সমালোচক পুরস্কারে ২০১০ সালের টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র-এর বিভিন্ন শাখায় পুরস্কার দেয়া হবে। যেমন শ্রেষ্ঠ পরিচালক, প্রযোজক, নাটক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, চিত্রগ্রাহক, ভিডিও সম্পাদক, সঙ্গীত, চিত্রনাট্য এবং রূপসজ্জাকারী। প্রতিটি ক্ষেত্রের বিজয়ীরা সনদপত্র ও ক্রেস্ট পাবেন। সমসত্ম মিডিয়া ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে পরিকল্পিতভাবেই ‘জীবনের জয়গান’ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এবং তা চ্যানেল আই সরাসরি সমপ্রচার করে। বিজয়ী শিল্পীদের মিলনমেলায় পরিবেশ আনন্দমুখর হয়ে ওঠে। কিন্তু উল্লেখিত এ পর্বে কোনোরূপ অর্থ প্রদান করা হয় না।

চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালা

বাংলাদেশের তিন তরম্নণ মেধাবী নির্মাতা নূরম্নল আলম আতিক, অমিতাভ রেজা ও মেজবাউর রহমান সুমন জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ মাসব্যাপী এই চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালা শুরু করতে যাচ্ছে। এ কর্মশালা কেবল চলচ্চিত্রের তাত্ত্বিক বিষয় নিয়েই নয় বরং প্রায়োগিক বিষয়াদি নিয়েও কাজ করবে। ৩ জন মেধাবী নির্মাতার সাথে প্রশিক্ষণার্থীদের ৩টি বিভাগ বা উপদল কাজ করবে। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা চলচ্চিত্র নির্মাণের সংশ্লিষ্টতা সম্বন্ধে অবগত হবে।
উক্ত কর্মশালা থেকে নির্ধারিত ৩টি প্রযোজনাই টেলিভিশন-এ সমপ্রচার করা হবে এবং দর্শকরা ভোট দেয়ার ক্ষমতা রাখবে। প্রতি প্রতিযোগির নির্ধারিত কর্মশালার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকতে হবে। এ ছাড়াও ‘জীবনের জয়গান-২০১১’-তে এই ৩টি চলচ্চিত্র সংরক্ষিত হবে যা পরবর্তীতে পুরস্কৃত করা হবে।
চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালার জন্য আলাদা কোন ফী নেই। যারা সিলেক্ট হবেন তারা এতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

ন্যূনতম যোগ্যতা ও আবেদনের রীতি :

১. আবেদনকারীর বয়স ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
২. আবেদনকারীর কাজের অভিজ্ঞতা শো-রিল আকারে দিতে হবে, যার দৈর্ঘ্য ৫ মিনিট।
৩. আবেদনকারীর যদি পূর্বের কোন কাজ করার অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে সুপরিচিত কোনো পরিচালক বা মিডিয়া ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে সত্যায়ন আনতে হবে; সেক্ষেত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবেও অগ্রাধিকার পাবে।
৪. আবেদনকারীকে নিজের মৌলিক চিত্রনাট্য জমা দিতে হবে। চিত্রনাট্যের পরিধি হবে এ-ফোর সাইজ কাগজে ১০০০ শব্দের মধ্যে এবং যার পরিধি ১০ মিনিটের উপর যেতে পারবে না।
* জ্ঞাতার্থে : চিত্রনাট্য রচনার ক্ষেত্রে তা অবশ্যই নিজস্ব জ্ঞান ও ধারণা থেকে হতে হবে। যদি অন্য কোনো গল্প বা চিত্রনাট্যের ধারণা প্রসূত হয় তবে তা অবাঞ্ছিত বলে ঘোষণা করা হবে।
৫. আবেদনকারীদের ভর্তির শেষ সময় ৩০ জুন ২০১১। কাজ পাঠাবার ঠিকানা । রাফি হোসেন, পরিচালক, জীবনের জয়গান, দি ডেইলি স্টার, ৭ম তলা, ৬৪-৬৫ কাজী নজরম্নল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকা ১২১৫, বাংলাদেশ।

প্রয়োজনীয় তথ্য :

* ৩০ জন প্রতিযোগি নির্ধারিত হবে তাদের শো-রিল বা রিকমেন্ডেশন বা রচনার মাধ্যমে।
* জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর, ২০১১ পর্যনত্ম এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।
* কর্মশালার ১ম মাস পরে শেষ সারির ৯জন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ থেকে বাদ পরবে।
* ২য় মাসে সমাপ্ত সারির আরো ৬জন শিক্ষার্থীকে বাতিল করা হবে।
* নূরুল আলম আতিক, অমিতাভ রেজা ও মেজবাউর রহমান সুমন কর্তৃক সমাপ্ত মাসে উক্ত/প্রথমসারির ১৫জন শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেবেন।
* ১৫ সদস্যের উক্ত বিভাগটিকে ৩টি ভাগে বিভক্ত করে উক্ত নির্মাতারা শিক্ষার্থীদের গঠনগত দিক সম্বন্ধে অবহিত করে তুলবেন।
* সমগ্র কর্মশালাটি মূলত এই তিনজন পরিচালক দ্বারাই পরিচালিত হবে এবং বিশেষ প্রয়োজনে অতিথি প্রশিক্ষকও প্রশিক্ষণ দেবেন। এছাড়া নির্ধারিত প্রশিক্ষক-এর তত্ত্বাবধায়নে ৩য় মাসে শিক্ষার্থীরা প্রযোজনার মধ্যে দিয়ে প্রায়োগিক বিষয়টি সম্বন্ধে হাতে-কলমে শিক্ষা লাভ করবে এবং তিনটি পূর্ণদৈর্ঘ্য টিভিচিত্র নির্মিত হবে।

জীবনের জয়গান-২০১১ নিয়ম ও নীতি/কিভাবে কাজ জমা দেবেন

১. জমা প্রদান : অংশগ্রহণকারীরা ৩০ জুন ২০১১-এর মধ্যে দি ডেইলি স্টার অফিসে কাজ পৌঁছাতে হবে।
২. জমা দেয়ার সময় খামের উপর স্পষ্ট অক্ষরে আপনার নাম, ঠিকানা, ই-মেইল ঠিকানা ও মোবাইল bv¤^vi এবং আপনার রেজিস্ট্রেশন আইডি উলেস্নখ করতে হবে। (আপনি সেলিব্রেটিং লাইফ-এর ওয়েব সাইটে ঢুকে রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করলে আপনাকে একটা আইডি নম্বর দেয়া হবে। এই আইডি নম্বরটি অতি গুরম্নত্বপূর্ণ, এই নম্বরটি সংরক্ষণ করুন এবং আপনার কাজ যখন জমা দেবেন তখন এই আইডি নম্বরটি অবশ্যই জমাকৃত কাজের উপর লিখতে হবে)। এবং তার সাথে যদি আপনি সি.ডি. বা ডি.ভি.ডি. সংযুক্ত করতে চান তবে সেই সি.ডি. বা ডি.ভি.ডি.র উপরেও বিসত্মারিত তথ্য লিখে দিতে হবে।
৩. আমাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করুন এবং আপনার আই.ডি. নম্বর সংগ্রহ করুন। আপনার কাজের উপর অবশ্যই আপনার আই.ডি. নম্বরটি পরিস্কারভাবে লিখে দিতে হবে।
৪. সেলিব্রেটিং লাইফের যে কোনও খবর জানতে ‘চোখ রাখুন দি ডেইলি স্টার-এর পাতায়’।
৫. এ উৎসবে যে কোনো প্রকার ব্যক্তিগত যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। যে কোনো প্রয়োজনে আপনারা আমাদের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন। আপনাদের যে কোনো জিজ্ঞাসা আমরা ই-মেইল-এর মাধ্যমে দিয়ে থাকবো। আমাদের ই.মেইল ঠিকানা : celebratinglife.contest@gmail.com
৬. একই ব্যক্তি একই সাথে চাইলে তিনটি বিষয়েই কাজ জমা দিতে পারেন।
৭. বয়স উন্মুক্ত এবং যে কোনো বাংলাদেশী বা বাংলাদেশে বসবাসরত প্রবাসীরাও কাজ জমা দিতে পারেন।

কাজ পাঠাবার ঠিকানা

রাফি হোসেন
পরিচালক, জীবনের জয়গান
দি ডেইলি স্টার, ৭ম তলা
৬৪-৬৫ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ
ঢাকা ১২১৫, বাংলাদেশ
celebratinglife.contest@gmail.com
www.celebratinglifebd.com

Go Top